পরিবেশ আমাদের জীবনের উপর প্রত্যক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। তাই আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত রাখতে পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। আর পরিবেশ সংরক্ষণে পরিবার, এলাকা ও সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিটি পরিবার ও সমাজ যদি পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতন হয় তবে পরিবেশ দূষণ অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব। পরিবেশ রক্ষায় সরকারীভাবে ২০০২ সালে পলিথিনের ব্যবহার, অতিথি পাখি ধরা ও শিকার করা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাহাড় কাটা ও জলাভূমি ভরাট রহিত করা পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ইত্যাদি আইন মেনে চলা আমাদের সকলের কর্তব্য।
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিটি প্রকল্প এলাকায় একটি করে পরিবেশ ক্লাব স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে উদ্যোক্তাদের মধ্যে থেকে একজন সভাপতি, সহ-সভাপতি ও চার জন সদস্যদের নিয়ে মোট চারটি কমিটি গঠন করা হয়। প্রত্যেক উদ্যোক্তাই এই মাসিক মিটিং গুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করে থাকে। কমিটির মূল উদ্দ্যেশই হচ্ছে উদ্যোক্তাদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করা। কিভাবে পরিবেশ কে টিকিয়ে রেখে ও এর যথাযথ ব্যবহার করে টেকসই পরিবেশ তৈরি করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা । তাছাড়া ব্যবসার সম্প্রসারণ ও কিভাবে কর্ম পরিবেশ উন্নত করা যায় এগুলোও আলোচনার বিষয়বস্তু। কার্বন যুক্ত কাগজের ব্যবহার , খাবারে পোড়াতেলের ব্যবহার ইত্যাদি কিভাবে একেবারেই বাদ দেওয়া যায়, পলিথিনের ব্যবহারে স্বাস্থের জন্য কতটা ক্ষতিকর এবং পরিবেশের জন্য কতটা ঝুকিপূর্ণ তা নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়। সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সদস্যদের দ্বারা মিটিং আহ্বানের মাধ্যমে প্রকল্প কর্মকর্তাদের দ্বারা মিটিং গুলো পরিচালিত হয়ে থাকে। মিটিং গুলোতে উদ্যেক্তাদের ব্যবসা সংক্রান্ত সকল সমস্যা তুলে ধরা হয় এবং এর সমাধানও এই মিটিং এর মাধ্যমেই উঠে আসে। পরিবেশ ক্লাবটি প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
এটি সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রোজেক্ট (এসইপি) এর একটি উপ-প্রকল্প ”প্রমোশন অব সেইফ স্ট্রিট ফুড ম্যানেজমেন্ট প্র্যাকটিসেস” প্রজেক্ট । যা কিনা পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের সার্বিক সহায়তায় বিশ্ব-ব্যাংকের অর্থায়নে পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে ।